আইফোনে নিষিদ্ধ হতে পারে ফেসবুকের অ্যাপ!

প্রায়শই ফেসবুকের সমালোচনা করে বেড়ান অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মক'র্তা (সিইও) টিম কুক। বেশিরভাগ সময় তিনি সমালোচনা করে থাকেন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের গো'পনীয়তা লঙ্ঘন করাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু ফেসবুকের সিইও মা'র্ক জাকারবার্গ ঠাণ্ডায় মা'থায় তার সমালোচনার উত্তর দিয়ে থাকেন। এবার জাকারবার্গ অ্যাপলের সমালোচনা করে বসলেন! তার অ'ভিযোগ, অ্যাপল বরাবরই বিশ্বের দরিদ্র গ্রাহকদের অবহেলা করে আসছে।

পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হলেও তাদের এ কথার ল'ড়াইয়ে দুই টেক জায়ান্টের মধ্যকার স্নায়ুযু'দ্ধের আঁচ টের পাওয়া যায়। অর্থের বিনিময়ে স্মা'র্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ নিয়ে তাদের এ স্নায়ুযু'দ্ধ আরো তীব্র রূপ নিতে শুরু করেছে। এরই জের ধরে নিজস্ব এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপার প্রোগ্রামে ফেসবুকের সদস্যপদ বাতিল করেছে অ্যাপল। এতে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে পাল্টা কোনো ব্যবস্থা না নিলেও ভেতরে ভেতরে ফুঁসতে শুরু করেছে ফেসবুক।

এ বিরোধের প্রভাব আপাতদৃষ্টিতে সফটওয়্যারসহ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমিত আছে। তবে শেষ পর্যন্ত গ্রাহকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তাদের মতে, এ বিরোধ অব্যাহত থাকলে অ্যাপল ডিভাইসে ফেসবুকের অ্যাপের আপডেট বিলম্বিত হতে পারে। এমনকি বিরোধ আরো তীব্র হলে অ্যাপল নিজস্ব ডিভাইসে ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারসহ ফেসবুকের অ্যাপ নিষিদ্ধ করতে পারে।

সম্প্রতি অ্যাপল জানায়, অর্থের বিনিময়ে স্মা'র্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে চুক্তি ভঙ্গ করেছে ফেসবুক। এ কারণে আইফোনসহ নিজস্ব ডিভাইসের বিভিন্ন অ্যাপে ফেসবুকের প্রবেশ সীমিত করে দেয়া হয়েছে। এতে বেকায়দায় পড়েছে ফেসবুক। এ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রায় এক বছর সময় নিয়েছে অ্যাপল।

ফেসবুকের প্রবেশ সীমিত করে অ্যাপ স্টোরের শাসক হিসেবে নিজের ক্ষমতা জানান দিয়েছে অ্যাপল। এ ক্ষমতা ব্যবহার করে মোবাইল ইন্টারনেটের সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে আগে থেকেই বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে ফেসবুক কিছুটা ঝুঁ'কিপূর্ণ অবস্থানে আছে।